আমিনপুর থানা পাবনা ব্লগ সাইটে ভিজিট করার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ। আমাদের সাইটের ব্যবহার বিধিমালা পড়ুন।

Table of Content

ফজরের নামাজের নিয়ম

দৈনিক পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের মধ্যে ফজরের নামাজ প্রথম এবং গুরুত্বপূর্ণ নামাজ। ফজরের নামাজের নিয়ম নিয়ে মীর বাংলা ডট কমের এই আর্টিকেলটিতে আলোচনা করা হবে।

ফজরের নামাজের নিয়ম। নামাজ প্রত্যেকটি মুসলমানের জন্য অপরিহার্য একটি বিষয়। যা বাদ দিয়ে কোন মুসলমান নিজেকে প্রকৃত মুমিন দাবী করতে পারে না। এই নামাজ পাঁচ ওয়াক্ত। দৈনিক পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের মধ্যে ফজরের নামাজ প্রথম এবং গুরুত্বপূর্ণ নামাজ। ফজরের নামাজের নিয়ম নিয়ে মীর বাংলা ডট কমের এই আর্টিকেলটিতে আলোচনা করা হবে।

ফজরের নামাজের নিয়ম

ফজরের নামাজের গুরুত্ব

সবকিছুর চেয়ে উত্তম: ফজরের নামাজের গুরুত্ব বলতে গেলে একটা হাদিস চলে আসে। ফজরের নামাজ এই দুনিয়াবির যা কিছু রয়েছে তার চেয়ে উত্তম। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘ফজরের দুই রাকাত নামাজ দুনিয়া ও তার সব কিছুর চেয়ে উত্তম।’ (মুসলিম, হাদিস : ১৫৭৩)

ফেরেশতাদের সাক্ষাৎ : ফেরেশতাদের পালাবদলের সময় হচ্ছে ফজর। ফেরেশতারা আল্লাহর কাছে তাই পেশ করেন যা আল্লাহর মুমিন বান্দারা যা কিছু করেন। বুখারী শরীফের ৫৫৫ নম্বর হাদিসে আল্লাহর রাসুল (সা.) বিষয়টি চমৎকারভাবে তুলে ধরে বলেছেন।

উত্তম দিনের শুরু: যে ফজরের নামাজ আদায় করলো, সে উত্তম দিনের শুরু করলো। শয়তানের গিট থেকে মুক্ত করে ফজরের নামাজ আমাদের উত্তম দিন শুরু করার সুযোগ দেয়।

এছাড়াও ফজরের নামাজের অসংখ্য গুরুত্ব রয়েছে। আমাদের পোর্টালে এই বিষয়ে খুব শীঘ্রই একটি আর্টিকেল প্রকাশ করা হবে।

ফজরের নামাজের প্রস্তুতি

ফজরের নামাজ আদায় করার জন্য সবচেয়ে বড় কাজ হলো নামাজ আদায় করার জন্য নিয়ত করা। কারণ, প্রত্যেকটা কাজ নিয়তের উপর নির্ভর করে। আমরা যদি নিয়ত করে থাকি যে এই কাজটি আমরা করবোই তাইলে তা করাটা সহজ হবে। তাই ফজরের নামাজের নিয়ম জানার পর তা আদায় করার প্রস্তুতি হিসেবে নিয়ত করাটা জরুরী।

তাছাড়াও ফজরের নামাজের প্রস্তুতির মধ্যে রয়েছে-

  • তাহারাত অর্জন করা বা নিজেকে পবিত্র করা
  • শরীরে বা কাপড়ে কোথাও নাপাকী লেগে থাকলে তা উত্তমরূপে পরিষ্কার করে নেওয়া।
  • পবিত্র স্থানে নামায আদায়
  • নামাযের নিয়ত করা

ফজরের নামাজের নিয়ম

যেকোন নামাজ আদায় করতে হলে সেই নামাজ কয় রাকাত তা আগে থেকে জানা থাকতে হয়। কারণ প্রত্যেকটি নামাজের নিয়ত ভিন্ন। আবার একই নামাজের একাধিক রাকাতের রয়েছে একাধিক নিয়ত। তাই কোন রাকাতের নিয়ত কি তা জানা এবং কোন নামাজ কয় রাকাত তা জানা জরুরী।

চার রাকাত ফজরের নামাজ

ফজরের নামাজ মোট চার রাকাত। দুই রাকাত সুন্নত ও দুই রাকাত ফরজ নামাজ।

দুই রাকাত সুন্নত নামাজ

ফজরের দুই রাকাত সুন্নত নামাজ আদায় করার জন্য প্রথমে ওযু করে নামাজে দাড়াতে হবে। তারপর জায়নামাজের দোয়া পড়তে হবে।

আরবিতে জায়নামাজের দোয়া:- اِنِّىْ وَجَّهْتُ وَجْهِىَ لِلَّذِىْ فَطَرَالسَّمَوَتِ وَاْلاَرْضَ حَنِيْفَاوَّمَااَنَا مِنَ الْمُشْرِكِيْنَ

বাংলায় উচ্চারণ:- ইন্নি ওয়াজ্জাহাতু ওজহিয়া লিল্লাযী ফাতারাচ্ছামাওয়াতি ওয়াল আরদা হানিফাঁও ওয়ামা আনা মিনাল মুশরিকীন।

বাংলায় অনুবাদ:- নিশ্চয়ই আমি তাঁর দিকে মুখ ফিরাইলাম, যিনি আসমান জমিন সৃষ্টি করেছেন। আমি মুশরিকদের দলভুক্ত নই।

ফজরের দুই রাকাত সুন্নত নামাজের নিয়ত

জায়নামাজের দোয়া পড়ার পর দুই রাকাত সুন্নত নামাজের নিয়ত করতে হবে।

আরবিতে নিয়ত:- نويت أن أصلى الله تعالى ركعتى صـلـوة الـفـجـر سـن رسول الله تعالى متوجها إلى جهة الكعبة الشريفة الله أكبر

বাংলায় উচ্চারণ:- নাওয়াইতু আন উছাল্লিয়া লিল্লাহি তা'আলা রাকআতাই সলাতিল ফাজরি ছুন্নাতু রাসূলিল্লাহি তা'আলা মুতাওয়াজ্জিহান ইলা জিহাতিল কা'বাতিশ শারীফাতি আল্লাহু আকবার।

বাংলায় অনুবাদ:- আমি কেবলামুখী হইয়া আল্লাহর জন্য ফজরের দুই রাকাত সুন্নাত নামাজ আদায় করিতেছি, আল্লাহু আকবার।

নিয়তের সময় আল্লাহ আকবার (তাকবীরে তাহরিমা) বলে রাকাত বাধতে হবে। রাকাত বাধার জন্য দুই হাত এমনভাবে উঠাতে হবে যেন হাত কাধ বরাবর থাকে। এবং হাতের তালু দুইটি কাবার দিকে থাকে তারপর হাত নামিয়ে নাভির নিচে অথবা নাভির উপরে বাধতে হবে।

রাকাত বাধা হয়ে গেলে সানা পড়তে হবে। 

سُبْحَانَكَ اَللَّهُمَّ وَ بِحَمْدِكَ وَ تَبَارَكَ اسْمُكَ وَ تَعَالِىْ جَدُّكَ وَ لَا اِلَهَ غَيْرُكَ

বাংলায় উচ্চারণ : সুবহানাকা আল্লাহুম্মা ওয়া বিহামদিকা, ওয়া তাবারাকাসমুকা, ওয়া তাআলা জাদ্দুকা ওয়া লা ইলাহা গাইরুকা।

এখন সুরা ফাতিহা ও যেকোন একটি সুরা পড়তে হবে। সুরা ফাতিহা পাঠ করার পর স্বল্পসরে “আমিন” বলতে হবে। তারপর আল্লাহু আকবার বলে রুকুতে যেতে হবে। রুকু করার জন্য মাথা সামনের দিকে ঝুকিয়ে হাত হাটুতে রেখে পিঠ সমান করতে হবে।

রুকুতে গিয়ে ৩,৫,৭ বার পড়তে হবে "সুবহানা রাব্বিয়াল আযিম"। রুকু থেকে উঠার সময় "সামিয়াল্লাহুলিমান হামিদা" বলতে হবে। দাঁড়ানোর পর "রাব্বানালাকাল হামদ" বলতে হবে। তারপর আবার আল্লহু আকবার বলে সিজদায় যেতে হবে।

সঠিকভাবে সিজদায় যাওয়ার জন্য সর্বপ্রথম হাঁটু জমিনের নিকটবর্তী করতে হবে। এরপর ক্রমান্বয়ে হাত, নাক ও তারপর কপাল রাখতে হবে। 

সিজদায় গিয়ে আগের মতো ৩,৫,৭ বার পড়তে হবে "সুবহানা রাব্বিয়াল আলা"। এরপর আল্লাহু আকবার বলে সিজদাহ থেকে বসা, এবং পুনরায় আরেকবার একইভাবে সিজদা করতে হবে। তারপর আল্লাহু আকবার বলে দাড়িয়ে যেতে হবে। আপনি ফজরের নামাজের সুন্নত প্রথম রাকাতের নিয়ম জানলেন। এইভাবে প্রথম রাকাত শেষ হবে। 

এবার দ্বিতীয় রাকাত পড়তে হবে। ফজরের দুই রাকাত সুন্নত নামাজের দ্বিতীয় রাকাত পড়ার জন্য প্রথম রাকাতের মতোই সব কিছু করতে হবে। কিন্তু দ্বিতীয় সিজদা করা শেষ হলে উঠে না দাঁড়িয়ে বসে থাকতে হবে।

এবার যথাক্রমে নিঃশব্দে আত্তাহিয়্যাতু, দরূদ শরীফ ও দোয়া মাসুরা পাঠ করতে হবে।

আত্তাহিয়্যাতু:- আত্তাহিয়্যাতু লিল্লাহি, ওয়াস সালাওয়াতু, ওয়াত- তাইয়্যিবাতু, আস সালামু আলাইকা, আইয়্যুহান নাবিয়্যু, ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহ, আস সালামু আলাইনা, ওয়া আলা ইবাদিল্লাহিস-সালিহীন। আশহাদু আল-লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু, ওয়া আশহাদু আন্না মুহাম্মাদান আবদুহু ওয়া রাসূলুহু। 

আত্তাহিয়্যাতু বাংলা উচ্চারণ:- 

ﺍﻟﺘﺤﻴﺎﺕ ﻟﻠﻪ ﻭﺍﻟﺼﻠﻮﺍﺕ ﻭﺍﻟﻄﻴﺒﺎﺕ -ﺍﻟﺴﻼﻡ ﻋﻠﻴﻚ ﺃﻳﻬﺎ ﺍﻟﻨﺒﻲ ﻭﺭﺣﻤﺔ ﺍﻟﻠﻪ ﻭﺑﺮﻛﺎﺗﻪ - ﺍﻟﺴﻼﻡ ﻋﻠﻴﻨﺎ ﻭﻋﻠﻰ ﻋﺒﺎﺩ ﺍﻟﻠﻪ ﺍﻟﺼﺎﻟﺤﻴﻦ -ﺃﺷﻬﺪ ﺃﻥ ﻻ ﺇﻟﻪ ﺇﻻ ﺍﻟﻠﻪ -ﻭﺃﺷﻬﺪ ﺃﻥ ﻣﺤﻤﺪﺍ ﻋﺒﺪﻩ ﻭﺭﺳﻮﻟﻪ

দূরূদ শরীফ আরবিঃ اَللّٰهُمَّ صَلِّ عَلٰى مُحَمَّدٍ. وَّعَلٰى اٰلِ مُحَمَّدٍ كَمَا صَلَّيْتَ عَلٰى اِبْرَاهِيْمَ وَعَلٰى اٰلِ اِبْرَاهِيْمَ' اِنَّكَ حَمِيْدٌ مَّجِيْدٌ. اَللّٰهُمَّ بَارِكْ عَلٰى مُحَمَّدٍ. وَّعَلٰى اٰلِ مُحَمَّدٍ كَمَا بَارَكْتَ عَلٰى اِبْرَاهِيْمَ وَعَلٰى اٰلِ اِبْرَاهِيْمَ. اِنَّكَ حَمِيْدٌ مَّجِيْدٌ.

দুরুদ শরীফ বাংলা উচ্চারণ : “আল্লাহুম্মা সাল্লি আলা মুহাম্মাদিউ ওয়া আলা আলি মুহাম্মাদিন, কামা সাল্লাইতা আলা ইবরাহিমা ওয়া আলা আলি ইবরাহীমা ইন্নাকা হামিদুম মাজিদ। আল্লাহুম্মা বারিক আলা মুহাম্মদিউ, ওয়া আলা আলি মুহাম্মদিম, কামা বারাকতা আলা ইবরাহীমা, ওয়া আলা আলি ইবরাহিমা, ইন্নাকা হামিদুম মাজিদ।”

দোয়া মাসুরা আরবি :اللهم إني ظلمت نفسي ظلما كثيرا ولا يغفر الذنوب إلا أنت فاغفرلي مغفرة من عندك وارحمني إنك أنت الغفور الرحيم

বাংলা উচ্চারণ : আল্লাহুম্মা ইন্নি জালামতু নাফসি জুলমান কাসিরা । ওয়ালা ইয়াগ ফিরুজ জুনুবা ইল্লা আনতা। ফাগফির লি, মাগফিরাতাম মিন ইনদিকা; ওয়ার হামনি, ইন্নাকা আনতাল গাফুরুর রাহিম।

আত্তাহিয়্যাতু পড়ার সময় "আসহাদু আল্লআহ ইলাহা" বলে ডান হাতের শাহাদাত আঙ্গুলি উপরের দিকে উঠাতে হবে। এরপর প্রথমে ডানেদিকে, পরে বামদিকে নীরবে আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ বলে সালাম ফিরাতে হবে। আপনি ফজরের দুই রাকাত সুন্নত নামাজের নিয়ম জানলেন। এইভাবে ফজরের দুই রাকআত সুন্নত নামাজ আদায় শেষ হলো। এবার ফজরের দুই রাকাত ফরজ নামাজের নিয়ম জানা যাক।

দুই রাকাত ফরজ নামাজ

ফজরের দুই রাকাত ফরজ নামাজের নিয়ম আর দুই রাকাত সুন্নত নামাজের নিয়ম প্রায় একই। শুধু নিয়ত আর কিরাতের ক্ষেত্রে একটু পার্থক্য রয়েছে। অর্থাৎ সবকিছু দুই রাকাত সুন্নতের মতোই করতে হবে শুধু নিয়ত পরিবর্তন হবে।

দুই রাকাত ফরজ নামাজের নিয়ত:-

আরবি উচ্চারণ:- نويت أن أصلى الله تعالى ركعتي صـلـوة الـفـجـر فرض الله تعالى مـتـوجها إلى جهة الكعبة الشريفة الله أكبر 

বাংলায় উচ্চারণ : নাওয়াইতু আন উসল্লিয়া লিল্লাহি তা'আলা রাকয়াতাই সলাতিল ফাজরি ফারদুল্লাহি তা'আলা মুতাওয়াজ্জিহান ইলা জিহাতিল কা'বাতিশ্ শারীফাতি আল্লাহু আকবার।

বাংলা নিয়ত : আমি বেকলামুখী হইয়া আল্লাহর জন্য ফজরের দুই রাকয়াত ফরজ নামাজ আদায়ের নিয়ত করিতেছি। আল্লাহু আকবার।

তবে, আপনি যদি জামায়াতের সাথে বা ইমামের পেছনে নামাজ আদায় করেন সেক্ষেত্রে নিয়ত হবে এরকম:-

নাওয়াইতু আন উসল্লিয়া লিল্লাহি তা'আলা রাকয়াতাই সলাতিল ফাজরি ফারদুল্লাহি তা'আলা ইকুতাদাইতু বিহা-যাল ইমাম মুতাওয়াজ্জিহান ইলা জিহাতিল কা'বাতিশ্ শারীফাতি আল্লাহু আকবার।

বাংলায়:- আমি বেকলামুখী হইয়া আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য ফজরের দুই রাকয়াত ফরজ নামাজ ইমামের পিছনে আদায়ের নিয়ত করিতেছি। আল্লাহু আকবার।

যখন ইমাম সুরা ফাতিহা ও অন্য সুরা পাঠ করবেন তখন মুক্তাদিরকে তা শুনতে হবে। কিন্তু তারা সুরা পাঠ করবে না। বাকি অংশ সুন্নত রাকাতের সাথে মিল রেখে আদায় করতে হবে। এভাবে আপনি ফজরের দুই রাকাত ফরজ নামাজের নিয়ম জানলেন ও নামাজ শেষ করলেন।

আশা করছি উপরের লেখাগুলো পড়ে আপনি ফজরের নামাজের নিয়ম সম্পর্কে জানতে পেরেছেন। অন্যান্য নামাজের নিয়ম সম্পর্কে জানতে হলে মীর বাংলা ডট কম সাইট ভিজিট করুন।


ওপেনএআই কর্তৃক পাওয়া ফজরের নামাজের নিয়ম

ফজরের নামাজের নিয়ম

নামাজ মুসলিম ধর্মের প্রধান আমল। এটি মুসলিম ভক্তদের ইসলামের পাঁচটি সর্বাধিক মুখ্য কর্মের মধ্যে একটি। ফজরের নামাজ অন্যান্য নামাজের মতোই গুরুত্বপূর্ণ। ফজরের নামাজের নিয়ম সম্পর্কে পর্যালোচনা করা হলো এই লেখাটির মাধ্যমে।

ফজরের নামাজের সময়

ফজরের নামাজের সময় হলো সূর্যোদয়ের পূর্বের সময়। ফজরের নামাজ পাঠানো হয় আল্লাহর আল্লাহর সৃষ্টি করা আদাম আলাইহিস সালামের দ্বারা এবং তাঁর পরবর্তী প্রতিষ্ঠাপক আব্রাহাম আলাইহিস সালামের মাধ্যমে। সূর্যোদয় সময় সাধারণত ৪৫ মিনিট পর পর্যন্ত থাকে। এটি দ্বিতীয় রাক্যাতের শেষ সময় বা তাহাজ্জুদের আগের সময়ে শেষ হয়।

ফজরের নামাজের কত রাক্যাত

ফজরের নামাজে দুই রাক্যাত পাঠানো হয়। প্রতিটি রাক্যাতে মুসাল্লির জন্য তাকবীর, রুকু, সজদা, তশাহহুদ ও সালাম পরিচয় করতে হয়। ফজরের নামাজে দুই রাক্যাত সম্পূর্ণ করার পরে আমুমা পড়তে পারেন। এটি সুন্নত বলে বিবেচিত হয়। ফজরের নামাজের নিয়ম

ফজরের নামাজের সানিয়া

ফজরের নামাজের সানিয়া সংক্রান্ত বিষয়ে বেশ কিছু কথা বলা উচিত। ফজরের নামাজের সানিয়া হলো ফজরের নামাজের পরে যাপন করা প্রার্থনা ও অযু কর্মসমূহ। সানিয়াতে আপনি আল্লাহর দরবারে বিনয়ে পড়তে পারেন আরবি আয়াত, দুরুদ শরীফ, অস্থির সূরা, সূরা কাহফের প্রথম ১০ আয়াত এবং অন্যান্য প্রার্থনাসমূহ।

ফজরের নামাজের উপকারিতা

ফজরের নামাজ পাঠানো ব্যক্তিকে অসমাপ্তির উপকারিতা দেয়। ফজরের নামাজ পাঠানো মানুষকে আদর্শ মুসলিম জীবনের সাথে সংযোগ করে তোলে। এটি শারীরিকভাবে ও মানসিকভাবে শক্তি দেয়, আধ্যাত্মিকভাবে উন্নতি করে এবং আদর্শ আচরণ ও নীতিমূলক আদর্শ বিকাশ করে। ফজরের নামাজের মাধ্যমে মানুষ আল্লাহর আবিদ হয়ে উঠে ও নেমে আসে। ফজরের নামাজের নিয়ম

ফজরের নামাজের অর্ধেক

ফজরের নামাজের অর্ধেক পাঠানোর পরে আপনি ইয়ালামু পড়তে পারেন। ইয়ালামু মুসাল্লিমে ফরয আমলের বিষয়ে সচেতনতা সৃষ্টি করে তুলে। এটি ফজরের নামাজের অংশ হিসাবে প্রশংসিত হয়।

ফজরের নামাজের উপরিভাগ

ফজরের নামাজের উপরিভাগে আপনি আরবি সূরা পড়তে পারেন, প্রস্তুত দোয়া পড়তে পারেন, তাকবীর পড়তে পারেন এবং আপনার আরবি নামাজের সাথে সংযোগ করতে পারেন। আরবি সূরা এবং দোয়াগুলি পাঠানোর মাধ্যমে আপনি আরবি ভাষায় আল্লাহর সাথে কথা বলতে পারেন। ফজরের নামাজের নিয়ম

ফজরের নামাজের মানে

ফজরের নামাজের মাধ্যমে আপনি আল্লাহর প্রাপ্য করতে পারেন এবং তাঁর অবদান করতে পারেন। এটি আপনাকে ইহসানের (পূর্ণতা) সাথে আল্লাহর সাম্রাজ্যে যুক্ত করে। ফজরের নামাজের মাধ্যমে আপনি আপনার আদিবতা ও আদর্শতা উন্নতি করতে পারেন।

ফজরের নামাজের মাহত্ব

ফজরের নামাজের মাহত্ব অসাধারণ। এটি আপনাকে দৈনন্দিন জীবনের জন্য সকল সাফল্যের কামনা করে এবং আপনাকে দরবারে আল্লাহর সামনে প্রেক্ষিত করে। ফজরের নামাজ পাঠানোর মাধ্যমে আপনি দৈনন্দিনিক জীবনের হারমনিকতা, নিয়মিত প্রতিদিনের আদর্শ আচরণ ও নিষ্ঠার সাথে সম্পর্কিত হতে পারেন।

ফজরের নামাজের পরিবর্তন

ফজরের নামাজের পরিবর্তন সম্পর্কে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় উল্লেখ্য যখন আপনি ফজরের নামাজ পাঠানোর সময়ে কিছু পরিবর্তন করতে চান। এটি সাধারণত নিজের জন্য সুযোগ বা সময় তৈরি করতে হয়, যেমন আলার্ম সেট করা, পানি পান করা, উঠা এবং পোশাক পরিবর্তন করা ইত্যাদি। তবে, এই পরিবর্তনগুলি নামাজের সময়ের মাঝে পূর্বে সাধারণত সম্পন্ন করতে হয়। বিশেষ করে, আপনাকে পরবর্তী পরিবর্তন গৃহীত করার আগে ফজরের নামাজ পূর্ণ করতে হবে। ফজরের নামাজের নিয়ম

ফজরের নামাজের পুর্নতা

ফজরের নামাজের পূর্ণতা অনেক গুরুত্বপূর্ণ। নামাজের সময়ে সামরিক ও মানসিক পূর্ণতা নিশ্চিত করতে হয়। আপনাকে নামাজ পাঠানোর জন্য প্রস্তুত হতে হবে, শুধু শরীরিকভাবে কিন্তু মানসিকভাবেও পূর্ণতা অর্জন করতে হবে। মনে রাখবেন, নামাজ হলো আল্লাহর সাথে সংহত করার জন্যে পরিকল্পনা করা পবিত্র ক্রিয়া, তাই পূর্ণতা বজায় রাখার জন্য নিজেকে সহজ ও সামরিকভাবে প্রস্তুত করতে হবে।

আশা করি, ফজরের নামাজের নিয়ম সম্পর্কে এই তথ্যগুলি আপনাকে সাহায্য করবে। ফজরের নামাজ পাঠানোর সময়ে সঠিকভাবে পরিকল্পনা করে এবং পূর্ণতা অর্জন করেন। আল্লাহর সামনে নামাজ পাঠানো আপনাকে সকল খুশির অধিকার ও আশীর্বাদ দেয়। শুভ কামনা রইলো।

আমি মীর রাব্বি হোসেন। Mir Rabbi Hossain ফ্রম আমিনপুর।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন